রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস রমজান। রমজান মাসে ধর্ম প্রাণ মুসল্লিগণ এই মাসে ২৯ কিংবা ৩০টি রোজা রাখেন। এই রমজান মাসকে সিয়াম সাধনার মাস ও বলা হয়। ইসলামে রমজান মাসের ফজিলত অনেক। এই মাস মুসলমানদের জন্য আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনার মাস।

রমজান মাস মুসল্লিদের জন্য আনন্দের মাস। কারণ এই মাস শেষ হলেই আসে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদ উল ফিতর। তবে এবার করোনা ভাইরাসের কারণে চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। করোনা ভাইরাসের বিস্তার রুখতে মুসল্লিদের ঘরে তারাবির নামাজ পড়ার কথা বলা হয়েছে। মসজিদে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও দুই জন হাফেজ সহ সর্বোচ্চ ১২ জন মিলে তারাবির সালাত আদায় করতে পারবেন।

একে তো লক ডাউন আবার রমজানের সময় টুকু পার করার জন্য অনেকেই ফেসবুক সহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ঘোরাঘুরি করেন। এতে হঠাৎ করেই সামনে চলে আসতে পারে যেকোনো ধরণের অশ্লীল ছবি। ইসলাম কখনোই অশ্লীলতাকে প্রশ্রয় দেয় না। এমনকি রোজা রাখা অবস্থায় কেউ কোনো অশ্লীল ছবি বা অশ্লীল কোনো কিছু দেখলে রোজা হালকা হয়ে যায়। এতে সারাদিন পানাহার থেকে বিরত থাকলেও কমে যায় সিয়াম পালনকারী ব্যক্তির সিয়ামের ফজিলত।

তাই এসব অনিচ্ছাকৃত অশ্লীলতা থেকে বাঁচতে দেয়া হচ্ছে ফ্রি ফেসবুক ব্যবহারের পরামর্শ। অনেকে আবার বলছেন নাইট প্যাক ব্যবহার করার কথা।

পরিশেষে, আমরা যারা মুসলিম আমাদের সকলের ই উচিত সর্বদাই অশ্লীলতা থেকে বিরত থাকা। রমজান মাসে তো এর বিকল্প কোনো কিছুর প্রশ্ন ও আসে না। তাই সকলের প্রতি অনুরোধ এই পবিত্র মাসটিতে সিয়াম পালন করা, পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের পাশাপাশি তারাবির সালাত আদায় করা সহ বেশি বেশি নফল ইবাদত পালন করুন। প্রতিটি মুনাজাতে কান্না করে আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করুন। এই গজব, মহামারি, করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তি চান। বলাতো যায় না কখন কার হাতকে আল্লাহ কবুল করে নেন।

সবশেষে, গুরু সারকাজম পরিবারের পক্ষ থেকে সকলকে জানাই পবিত্র রমজানুল মুবারকের শুভেচ্ছা।

আহলান, সাহলান, মাহে রমাদান।