রমজান মাস এলেই বিভিন্ন চ্যানেলে শুরু হয়ে যায় রান্না বিষয়ক বিভিন্ন অনুষ্ঠান সেখানে বিভিন্ন রন্ধন বিশেষজ্ঞ বা রন্ধন শিল্পী তাদের দর্শকদের সাথে শেয়ার করেন বিভিন্ন রেসিপি। এসকল রেসিপি দেখে অনেকেই ইফতার বা অন্যান্য খাবার আইটেম তৈরি করেন।

জুবায়ের এর বউ মিসেস কুলসুম ও চ্যানেল আই এর এরকম একটি প্রোগ্রাম দেখে বিভিন্ন আইটেমের ইফতার ও খাবার আইটেম তৈরি করেন। উক্ত অনুষ্ঠানটির রন্ধন শিল্পী বা রন্ধন বিশেষজ্ঞ হিসেবে দর্শকদের সাথে রান্নার রেসিপি শেয়ার করেন কেকা ফেরদৌসী। জুবায়ের এর বউ মিসেস কুলসুম কেকা ফেরদৌসীর অনেক বড় ভক্ত। কেকা আপার শেখানো প্রত্যেকটি রেসেপি ই ইফতার আইটেম হিসেবে তৈরি করেন মিসেস কুলসুম। জুবায়ের এসব গাঁজাখুরি রান্না খেতে খেতে এক পর্যায়ে বিরক্ত হয়ে যায়। সে তার বউ মিসেস কুলসুমকে বারবার না করলেও মিসেস কুলসুম তার কথা শোনেন না। শেষ পর্যায়ে তিনি তার বাসার ডিস লাইন কেটে দিতে বাধ্য হন।

এ বিষয়ে জুবায়ের আমাদের বলেন, “ভাই, আপনারাই বলেন তো সারাদিন রোজা রেখে এইসব অখাদ্য – কুখাদ্য খেতে কেমন টা লাগে! আমি আমার বউ কুলসুম রে বারবার বুঝাইছি এই সব ফালতু জিনিস আর রান্না কইরো না। কিন্তু ও তো আমার কথা কানেই নেয় না। তাই শেষমেষ যখন আর কোনো উপায় খুঁজে না পাই তখন বাধ্য হয়ে বাসার ডিস লাইন টাই কেটে দেই। ও আবার এখন আমাকে হুমকি দেয় আমি ডিস লাইন না এনে দিলে ও ওর বাপের বাড়ি চলে যাবে। আমি ওরে পরিষ্কার বলে দিয়েছি- যা করার করো, যেখানে যাওয়ার যাও কিন্তু এসব অখাদ্য – কুখাদ্য আমি আর খেতে পারব না। আর ও যাবেও বা কোথায় এই লক ডাউনের টাইমে!”

তার স্ত্রী মিসেস কুলসুম আমাদের জানান, “কেকা আপা ইজ মাই ফেভারিট। আমি তাকে আর তার রেসিপি দুটোকেই খুব ভালোবাসি। আমি তার রান্নার রেসিপি দেখে তা নিজে করতে খুব আনন্দ উপভোগ করি। কিন্তু ঐ শয়তান টা বাসার ডিস লাইন কেটে দিছে। আমি এখন কেকা আপার রান্নার রেসিপি গুলো দেখব কিভাবে?”

অন্যদিকে এই খবর শুনে প্রখ্যাত খাদক ভাল্লুক পোড়া (ইংরেজিতে বেয়ার গ্রিলস) একটি টুইট বার্তায় বলেন, “আমি জীবনে অনেক কিছু ই খেয়েছি। আপনারা দেখেছেন ও এর নমুনা। কিন্তু এগুলো খাওয়ার পর ও বিশ্বাস করেন আমার কখনোই কোনো কিছু হয় নি। কিন্তু কেকা আপার নুডলসের বিরিয়ানি ভর্তা খেয়ে আমি দুই দিনে আর টয়লেট থেকে বেড় হতে পারি নি।”

এই বিষয় টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর কেকা ফেরদৌসী নিজেই ফেসবুকে দেয়া এক বিশেষ স্ট্যাটাসে বলেন, “আমি জানি আমি কি ধারন অখাদ্য রান্না করি। তার মানে এই নয় যে আপনারা বাসাতেও সেগুলো রান্না করবেন। আপনারা আমার দেখাদেখি এ সব না রান্না করে মজা লন মিয়া!”