নতুন ভাইরাসের নাম কি করোনা নাকি করোলা এই নিয়ে দুই দলের মারামারির ঘটনা ঘটে দেশের এক অঞ্চলে। দেশের রংপুরে দুই পরিবারের মধ্যে ঝগড়া হয় করোনার নাম নিয়ে।

ঘটনা শুরু হয় এক পরিবারের করোলা কিনতে গিয়ে। করোলা কিনা নিয়ে ঝগড়া হয় অন্য পরিবারের এক লোকের সাথে এই নিয়ে দন্ড হয়। পরে মারামারি শুরু হয় দুই পক্ষের। তবে কেউ আঘাত পাওয়ার আগেই এলাকাবাসী তাদের ঝগড়া থামায়।

এলাকা বাসীদের একজন বলেন,” জনি নামের একজন সকালে করোলা কিনে আনে। এই দেখে পাশের বাড়ির সালাম তাকে বলে করোলা থেকে করোলা ভাইরাস ছড়াবে তাই যেন করোলা ফেলে দেয়। তখন জনি বলে ওইটা করোলা না করোনা ভাইরাস। এই নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে তাদের পরিবারের মধ্যেও ঝগড়া হয়।”

সালাম বলে,” করিম করোলা কিনা আনছে। ও জানে না এখন করলা ভাইরাস ছড়াইতাছে। ওর সাথে এই নিয়ে কথা বললে ও আমারে বলদ বলছে। তাই ওর সাথে ঝগড়া হয়।”

করিম এই বিষয়ে আমাদের বলে,” সালাম হইল বলদ। ও করোনা ভাইরাসকে করোলা ভাইরাস বলছে। ওর মতো বোকা আমি দেখি নাই।”

দেশের এই সংকটময় পরিস্থিতিতে ও যারা শুধুমাত্র নাম নিয়ে মারামারি করছে তাদের বয়কট করার আহ্বান সকলের।

উক্ত বিষয়ে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, “সরকার ভালো মতো যদি ভাইরাসের নাম ই জানাতে ব্যর্থ হয় তাহলে মানুষ সতর্ক হবে কিভাবে। তিনি দাবী করেন সরকার করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সকলকে সচেতন করে নি। তা আক্রান্ত সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।”

বিরোধী দলীয় নেতার মন্তব্যের জবাবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, “আমরা করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে লোকজন দের সতর্ক করছি। তারা যদি সতর্ক না হয় তাহলে আমাদের এই দেশ খুব শীঘ্রই মৃত্যুপুরীতে পরিণত হবে। তাই আমাদের সকলের উচিত সতর্ক হওয়া। সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাই এই রোগ প্রতিরোধের একমাত্র উপায়।”

আমরা সতর্ক জনগনের সাথে কথা বলে জানতে পেরেছি বাংলাদেশ এখন করোনা ভাইরাসের সিরিয়াস পর্যায়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, এই অবস্থায় নাম না ঝগড়া না করে সতর্ক হওয়া। বাংলাদেশে বর্তমানে প্রতিদিন যে হারে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে তাতে সকলের ঘরে থাকার কোনো বিকল্প নেই।